রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০||২৮ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১২:২৩ অপরাহ্ন  coxbazar24news@gmail.com

প্রচ্ছদ » শীর্ষ সংবাদ » সরকারের ‘সবুজ সংকেত’ মিললেই তামিম-মুশফিকদের অনুশীলন

সরকারের ‘সবুজ সংকেত’ মিললেই তামিম-মুশফিকদের অনুশীলন

আপডেট : ০৯ জুন, ২০২০ , সময়ঃ ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন

ছবি সংগৃহীত

স্পোর্টস ডেস্ক

করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরু থেকেই শেরেবাংলা স্টেডিয়াম বন্ধ। ক্রিকেটারদের আনাগোনা নেই, নেই ব্যাট-বলের শব্দ। তবে শিগগিরই চিরচেনা মিরপুরকে দেখা যাবে, দূর হবে গত কিছুদিনের নিস্তব্ধতা। যদিও সবকিছু নির্ভর করছে সরকারের নির্দেশনার ওপর।

করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি না মিললেও ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরানোর প্রস্তুতি যথাযথভাবেই নিচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নির্দেশনা অনুযায়ী তিনটি ট্রেনিং মডিউলও প্রস্তুত করে রেখেছে বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ। তবুও ‘যদি’ ‘কিন্তু’র ব্যাপার রয়েছে। পরিস্থিতি উন্নতির পাশাপাশি সরকার থেকে ‘সবুজ সংকেত’ মিললেই কেবল মাঠে ফিরতে পারবেন তামিম-মুশফিকরা।

গত সপ্তাহে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী বলেছিলেন, ‘বিসিবি আমার কাছে পরিকল্পনা চেয়েছিল এবং আমি তিনটি পরিকল্পনা সাজিয়েছি। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী সুস্থ থেকেই ক্রিকেটাররা অনুশীলন করতে পারবে।’

এদিকে মাঠের প্রস্তুতির ব্যাপারে বিসিবি গ্রাউন্ডস বিভাগের ন্যাশনাল ম্যানেজার সৈয়দ আব্দুল বাতেন আজ (সোমবার) বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘মাঠে অনুশীলন ফেরাতে আমাদের সব ধরনের প্রস্তুতিই নেওয়া হয়েছে। জীবাণুমুক্ত করার কাজ শেষ। এই মুহূর্তে অনুশীলনের জন্য মাঠ পুরোপুরি প্রস্তুত।’

২৫ জুন থেকে হোম অব ক্রিকেটে অনুশীলনে ফিরতে পারেন ক্রিকেটাররা। সেজন্য ৩৭ ক্রিকেটারের একটি পুলও তৈরি করা হয়েছে। মূলত জাতীয় দলের কথা মাথায় রেখেই এই পুল তৈরি করা হয়েছে। তবে তাদের অনুশীলনে ফেরার আগে অবশ্যই দরকার সরকারের ‘সবুজ সংকেত’।

এ ব্যাপারে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা শতভাগ প্রস্তুত। তবে আমাদের প্রস্তুতি শেষ হলেই ক্রিকেটারদের মাঠে ফেরানোর সুযোগ নেই। আমাদের সরকার থেকে নির্দেশনা পেতে হবে। সেই অপেক্ষাতেই আমরা।’

কেবল শেরেবাংলা স্টেডিয়াম নয়, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম ও রাজশাহীর শেখ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে সীমিত পরিসরে স্থানীয় ক্রিকেটারদের অনুশীলনের সুযোগ করে দিচ্ছে বিসিবি। অনুশীলনের জন্য মাঠ প্রস্তুত করতে প্রায় ২০০ কর্মী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মাঠের ঘাস কাটা, সার দেওয়া, উইকেট প্রস্তুত এবং সর্বোপরি পুরো মাঠকে ক্রিকেটারদের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে।